NID Card থাকলেও ভোট দিতে পারবে না যারা

আপনার আইডি কার্ড হয়েছে এবং এবার জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিবেন ভাবছেন, তাহলে জেনে নিন কারা জাতীয় পরিচয় পত্র থাকা সত্ত্বেও ভোট দিতে পারবে না।

প্রত্যেক ভোটারের NID Card থাকে কিন্তু এনআইডি কার্ড থাকলেই ভোটার হবে কিংবা ভোট দিতে পারবে এমনটা সত্য নয়। কারণ একজন নাগরিক কেবল ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পরেই ভোটার তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু বর্তমানে অনলাইনে ভোটার হওয়ার সুযোগ থাকায় ১৬ বছর হলেই জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করতে পারে এবং আইডি কার্ড হাতেও পেয়ে যায়।

অর্থাৎ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে একজন নাগরিকের বয়স ১৮ বছর হলে এবং ভোটার তালিকায় নাম থাকলে সে ভোটার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। এতে একটা বিষয় স্পষ্ট যে প্রত্যেক ভোটার, আইডিধারী হলেও সকল এনআইডিধারী ভোটার নয়।

NID Card থাকলেও ভোট না দিতে পারার কারণ

১৬ বছর বয়স হলেই জাতীয় পরিচয় পত্র বা nid card এর জন্য আবেদন করে অনলাইন থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করা যায়। কিন্তু একজন নাগরিক ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ভোট দেয়ার জন্য বিবেচিত হওয়া না। ভোটার আইডি নিবন্ধন করা থাকলে যখন ব্যক্তির বয়স ১৮ বছর হবে তখন সে ভোটার অধিকার প্রাপ্ত হবে এবং ভোটার লিস্টে তার নাম আসবে।

এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাদের জন্ম ০১ জানুযারি ২০০৫ অথবা তার আগে তারা এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে। ২০০৫ সালের পর যাদের জন্ম তাদের এনআইডি কার্ড থাকলেও ভোট দিতে পারবে না। আপনি যদি নতুন ভোটার আইডি কার্ড করে থাকেন তা হলে আপনার জন্ম সাল থেকেই বোঝতে পারবেন এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কিনা।

যারা আগে ভোট দিয়েছেন অথবা যাদের জন্ম ২০০৫ এর আগে তারা ভোট দিতে পারবে কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই। জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্ম তারিখ ভুল থাকলে সংশোধন করার অপশন রয়েছে। আইডি কার্ডে যে জন্ম তারিখ থাকে সে বয়স অনুসারেই ভোটার তালিকা করা হয়।

জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট এবং জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান এবং পরামর্শ জানতে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়াতে যুক্ত থাকুন।

ভোট কেন্দ্রে আইডি কার্ড নিয়ে যেতে হবে কিনা

সাধারণত ভোট কেন্দ্রে NID Card নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ভোটার তালিকায় আপনার নাম আছে কিনা সেটি যাচাই করার জন্য কিছু তথ্য হলে কাজটি দ্রুত হয়। একই দিনে সব মানুষ ভোট দেয় এবং তাদের তথ্য যাচাই করতে আইডি কার্ডের নাম্বার, ভোটার নাম্বার অথবা ভোটার সিরিয়লের প্রয়োজন হয়।

নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রের বাহিরে এলাকার সবার ভোটার তালিকা নিয়ে বসে থাকেন নির্বাচন প্রার্থীর কিংবা স্বেচ্ছা সেবী লোকেরা, তারা সবাইকে তাদের ভোটার নাম্বার এবং সিরিয়াল নাম্বারের টোকেন বিতরণ করে থাকে। এতে করে আপনার ওরজিনাল আইডি কার্ড নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়না।

NID থাকলেই ভোট দেওয়া যাবে?

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে যাদের বয়স ১৮ বছর অথবা এর বেশি তারা ভোটার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে যাদের জন্ম ০১-০১-২০০৫ এর আগে তারা ভোট দেয়ার জন্য বিবেচিত হবে।

আমার আইডি কার্ড আছে ভোট দিতে পারবো?

শুধু জাতীয় পরিচয় পত্র থাকলেই ভোট দিতে পারবে বিষয়টি এমন নয়। নাগরিকের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।

এনআইডি কার্ড করার বয়স কত?

ভোটার আইডি কার্ডের আবেদন অনলাইন করার পর থেকে মাত্র ১৬ বছর বয়স হলেই NID Card আবেদন করা যায়। একজন বাংলাদেশী নাগরিক তার বয়স ১৬ হলেই এনআইডির জন্য আবেদন করতে পারবে।

Similar Posts

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 Comments

    1. এবারের নির্বাচনে যাদের জন্ম ০১-০১-২০০৫ এর আগে তারা ভোট দিতে পারবে। আপনি ভোট দিতে পারবেন কিনা তা এপের মাধ্যমে চেক করে দেখতে পারেন।