মাত্র ২ দিনে হারানো আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন | NID card reissue online

অনলাইনে NID রিইস্যু আবেদন করে খুব সহজে হারানো ভোটার আইডি কার্ড পুনরায় ডাউনলোড করা যায়। NID Reissue ফি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) প্রদান করে আপনার হারানো বা নষ্ট হয়ে যাওয়া জাতীয় পরিচয় পত্র পুনরায় ডাউনলোড করুন।

NID Card হারিয়ে গেলে, নষ্ট হলে অথবা চুরি হয়ে গেলে ভয়ের কিছু নেই। ২০১৯ বা তার পরবর্তী সময়ের ভোটারগণ সম্পূর্ণ ফ্রীতে আইডি কার্ড ডাউলোড করতে পারবে অনলাইন থেকে যেকোনো সময়। কিন্তু যারা আগের ভোটার তারা সঠিক নিয়মে NID reissue আবেদন করলে ২ দিন থেকে ৫ দিনের মধ্যে এনআইডি হাতে পেয়ে যাবে।

হারানো এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য রি-ইস্যু আবেদন করার পূর্বে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) লিখাতে হবে। জিডিতে আপনার আইডি কার্ড কোথায় এবং কিভাবে হারিয়েছে তা উল্লেখ করতে হবে। জিডি লিখা নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। হারানো আইডি কার্ডের জিডি লিখার নমুনা এখানেই পাবেন।

হারানো ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম

হারানো ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য services.nidw.gov.bd/nid-pub এখানে ভিজিট করুন। NID নাম্বার, জন্ম তারিখ ও সিকিউরিটি ক্যাপচা পুরণ করে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করুন। ড্যাশবোর্ড থেকে রিইস্যু মেনুতে যান। রিইস্যুর ধরন, জিডি নাম্বার, reissue fee ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন করুন। আবেদন অনুমোদিত হলে ডাউনলোড মেনু থেকে হারানো আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করুন।

services nidw gov bd ওয়েবসাইটে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন এবং হারানো আইডি কার্ড উত্তোলনের আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম বিস্তারিত ভাবে ধাপে ধাপে দেখানো হবে। হারানো আইডি কার্ডের জন্য থানায় জিডি লিখার নিয়ম ও একটি নমুনা GD Copy দেয়া হবে।

জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট এবং জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান এবং পরামর্শ জানতে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়াতে যুক্ত থাকুন।

ভোটার কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয়

NID Card হারিয়ে গেলে প্রথমেই যে কাজটি করা উচিৎ তা হলো, যে এলাকায় আইডি কার্ডটি হারিয়েছে সে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি লিখানো। GD এর মধ্যে কোথায়, কিভাবে এবং কখন জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়েছে সেটি উল্লখ করতে হবে। চুরি হয়ে যাওয়া এনআইডি কার্ডের ক্ষেত্রেও থানায় GD করতে হবে।

ভোটার আইডি হারিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে GD করার সময় জিডি ফরমটি ২টি ফটোকপি করে নিবেন। দাখিল করা জিডির এক কপি থানায় রেখে দিবে এবং অন্যটি আপনাকে দিয়ে দিবে। থানায় GD করার সময় কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে হবে-

  • General Diary (GD) নাম্বার
  • GD গ্রহণকারী পুলিশ কর্মকর্তার নাম
  • পুলিশ কর্মকর্তার পদবি
  • জিডি করার তারিখ
  • জিডি কপিতে থানার সিল ও সাক্ষর

আপনি চাইলে নিজের মতো করে জাতীয় পরিচয়পত্র হারানো জিডি লিখতে পারেন। হারানো আইডি কার্ডের জিডি লিখার নমুনা দেখে অথবা আমাদের দেয়া MS Word file টি নিজের তথ্য দিয়ে পরিবর্তন করে থানায় জমা দিতে পারবেন।

হারানো ভোটার আইডির জিডি লিখার নিয়ম

আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে জিডি করার জন্য যে থানার অধিনে NID কার্ড হারিয়েছে সে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করতে হবে। জিডির মধ্যে আপনার নাম, বয়স, পিতা মাতার নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।

হারানো এনআইডি কার্ডের নাম্বার এবং হারানো স্থানের বর্ণনা জিডি তে উল্লেখ করতে হবে। কবে ও কখন এনআইডি কার্ড হারিয়েছেন তাও সেখানে উল্লেখ করতে হবে। আপনার সাক্ষর, তারিখ ও মোবাইল নাম্বার লিখে জিডি লিখা সম্পন্ন করুন।

আপনি নিজে নিজে GD লিখার ঝামেলা না করতে চাইলে নিচে দেয়া Lost NID GD format ডাউনলোড করে তা ms office word দিয়ে ওপেন করে অনুজ্জল লিখা গুলো আপনার প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করে প্রিন্ট করুন।

হারানো আইডি কার্ডের জিডি ফরমেট

ধরে নিচ্ছি আপনি থানায় জিডি করেছেন এবং তার একটি কপি সংগ্রহ করেছেন। এখন এই GD কপি স্ক্যান করে png অথবা pdf ফর্মেটে সংরক্ষণ করুন। খেয়াল রাখবেন ফাইল সাইজ যাতে 100KB এর বেশি না হয়।

হারানো আইডি কার্ড পুনরায় ডাউনলোডের আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলুন nid card reissue আবেদন করার নিয়ম ধাপে ধাপে অনুসরণ করি।

NID card reissue online

অনলাইনে এনআইডি কার্ড রিইস্যু করার জন্য https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/claim-account এখানে একাউন্ট তৈরি করতে হবে। আইডি কার্ড রিইস্যু করার বিষয়টি সহজ করার লক্ষে কয়েকটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে।

  • NID একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন
    • ওয়েবসাই ভিজিট
    • NID নাম্বার ও জন্মতারিখ
    • ঠিকানা যাচাই
    • মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন
    • ফেইস ভেরিফিকেশন
  • রিইস্যু ফরম পূরণ
  • Reissue Fee পরিশোধ
  • ডকুমেন্টস উপলোড

জাতীয় পরিচয় পত্র রিইস্যু করার ক্ষেত্রে services.nidw.gov.bd এখানে রেজিস্ট্রেশন করা কিছুটা লম্বা প্রক্রিয়া। এনআইডি সাইটে প্রবেশ করে ফেলার পর NID card reissue আবেদন করতে মাত্র ২ মিনিট সময় লাগবে।

NID একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন

জাতীয় পরিচয় পত্র সম্পর্কিত যে কোন সেবা পেতে হলে প্রথমে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। আইডি কার্ডের কিছু তথ্য ও কিছু ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া অতিক্রম করে ইউজার প্রোফাইলে প্রবেশ করতে হয়।

আপনার এনআইডি প্রোফাইলে প্রবেশের জন্য কি কি করতে হবে তা নিচে ধাপে ধাপে দেখানো হয়েছে। ধাপগুলো অনুসরন করে আপনার NID একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করুন।

NID Service ওয়েবসাই ভিজিট করুন

Bangladesh NID Application System এ প্রবেশ করার জন্য https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/ এই লিঙ্কটি ভিজিট করে “রেজিস্টার করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

Bangladesh NID Application System

রেজিস্টার করুনে ক্লিক করার পর আপনাকে অন্য একটি পেজে নিয়ে যাবে। আপনার যদি আগে থেকে একাউন্ট থেকে থাকে তা হলে username এবং password দিয়ে লগিন করতে পারেন।

ভোটার তথ্য প্রদান করুন

NID Website এ একাউন্ট রেজিস্টার করার জন্য ইনপুট ফরম দেখতে পাবেন। এখানে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর / ফর্ম নম্বর, জন্ম তারিখ এবং ক্যাপচা ইনপুট করার জন্য খালি ঘর থাকবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের ঘরে ১৭ সংখ্যার অথবা ১০ সংখ্যার স্মার্ট কার্ডের নাম্বার বসাতে হবে। তারপর জন্ম তারিখের ঘরে যথাক্রমে দিন, মাস ও জন্মসাল লিখুন।

সিকিউরিটি ক্যাপচা পূরণের ঘরে ছবিতে দেখানো লিখাটি দেখে দেখে টাইপ করুন। প্রতিবার ও প্রত্যেকের জন্য এই কোড আলাদা আলাদা হবে। সিকিউরিটি কোডটি কেইস সেনসেটিভ, তাই ছোট হাতের এবং বড় হাতের অক্ষর ভালো করে দেখে টাইপ করুন।

একাউন্ট রেজিস্টার

আইডি কার্ডের ঠিকানা যাচাই

এখন আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যে ঠিকানা দেয়া ছিলো সেটি বাছাই করতে হবে। ভোটার হওয়ার সময় বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যা দেয়া হয়েছে ঠিক সেই ঠিকানার কিছু তথ্য যাচাই করতে হবে।

ঠিকানা বাছাই করার জন্য ড্রপডাউন মেনু থেকে বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা নির্বাচন করতে হবে। বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা একই হলে উভয় ঠিকানার স্থলে সেইম ঠিকানা বাছাই করুন। আর বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন হলে আলাদা আলাদা ঠিকানা লিখুন।

বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যাচাই

মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন

এই পর্যায়ে আপনি আপনার মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করবেন। ভোটার হবার সময় যে মোবাইল নাম্বার দিয়েছিলেন সেটির কিছু অংশ দেখতে পাবেন। মোবাইল নাম্বারটি সচল থাকলে বার্তা পাঠান বাটনে চাপুন। তারপর ৬ সংখ্যার একটি OTP কোড আপনার মোবাইলে চলে যাবে।

OTP কোড চলে আসলে সেটি যাচাই করণ ঘরে লিখে সাবমিট করতে হবে। কোন কারনে কোড না আসলে ৬০ সেকেন্ড পর পুনরায় নতুন কোড পাঠাতে পারবেন। কখনো কখনো সার্ভার বা মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যার কারনে OTP কোড আসে না।

মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন

আর আপনি যদি প্রদর্শিত মোবাইল নাম্বারটি না চিনেন অথবা নাম্বারটি সচল না হয়, তাহলে নতুন সচল নাম্বার যুক্ত করার জন্য মোবাইল পরিবর্তন বাটনে ক্লিক করে নতুন করে নাম্বার যুক্ত করতে পারবেন।

ফেস ভেরিফিকেশন করতে NID Wallet

যার আইডি কার্ড সে ছাড়া অন্য কেউ যাতে একাউন্ট রেজিস্টার করতে না পারে সে জন্য ফেইস ভেরিফিকেশন করতে হয়। এটি একটি সিকিউরিটি সিস্টেম। ফেস ভেরিফিকেশন করার জন্য আপনার স্মার্ট ফোনে NID Wallet অ্যাপটি প্লে স্টোর থেকে নামিয়ে নিন।

উপরের দেখানে ধাপ সমূহ সঠিক ভাবে অনুসরণ করে আসলে এখন আপনি NID website এ QR কোড দেখতে পাবেন। এখন মোবাইলে নামানো এনআইডি ওয়ালেট অ্যাপ দিয়ে কিউ আর কোডটি স্ক্যান করুন।

ফেইস ভেরিফিকেশনের জন্য মোবাইলের ক্যামেরা চালু হবে। আইডি কার্ডধারী মোবাইলটি তার চেহারার সামনে ধরবে। তারপর একবার ডান দিকে ও একবার বামদিকে মাথা ঘুরিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড রিইস্যু আবেদন

আইডি কার্ড রিইস্যু আবেদনের জন্য ড্যাশবোর্ড থেকে রিইস্যু মেনুতে টেপ করতে হবে। এই সম্পূর্ণ প্রসেসটি ধারাবাহিক ভাবে করতে হবে। উপরের ধাপ অনুসরণ করার মাধ্যমে ইউজার প্রোফাইল / ড্যাশবোর্ড পর্যন্ত আসতে পারবেন।

ভোটার আইডি রিইস্যু আবেদন

রিইস্যু ফরম পূরণ

ভোটার আইডি রিইস্যু ফরম পূরণ করার জন্য এডিট বাটনে চাপুন। তারপর আপনি নিচের ছবির মতো NID Reissue ফরম দেখতে পাবেন।

আইডি কার্ড রিইস্যু ফরম ফিলাপ

আমরা ইতিমধ্যে হারানো আইডি কার্ডের জন্য জিডি করে জিডির একটি কপি আমাদের কাছে সংরক্ষন করে রেখেছি। জিডি কপির মধ্যে জিডি নাম্বার, থানার নাম, যে পুলিশ অফিসার জিডি গ্রহন করেছে তার নাম ও পদবি উল্লেখ রয়েছে।

এখন আমাদের করা GD কপি অনুসারে GD নাম্বার, থানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে NID রিইস্যু ফরম পূরণ করি। সবশেষে জিডি দাখিলের তারিখ লিখে পরবর্তী বাটনে চাপুন।

NID Reissue fee payment

এনআইডি কার্ড রিইস্যু করার জন্য একটি নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করতে হয়। প্রথমবার Reissue fee ২৩০ টাকা। বিকাশ, রকেট, নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সহ আরো বেশ কিছু উপায়ে এনআইডি রিইস্যু ফি প্রদান করা যায়।

বিকাশ সবার কাছে রয়েছে এবং বিকাশের মাধ্যমে আইডি কার্ডের ফি পরিশোধ অনেক সহজ। বিকাশের মাধ্যমে কিভাবে NID Reissue fee payment করতে হয় দেখে নিন।

আইডি কার্ড রিইস্যু ফি

ডকুমেন্টস আপলোড করুন

আইডি কার্ড হারিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে যে জিডি করেছিলাম, তার একটি ফটোকপি স্ক্যান করে রাখতে বলা হয়ছিলো। স্ক্যান না করলেও ভালো মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তোলে নিলেও হবে। এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যাতে ছবিটি স্পষ্ট ও কোথাও যাতে ক্রপ না হয়ে যায়।

জিডি কপিটি PDF অথবা PNG, JPEG ফর্মেটে মোবাইলে বা কম্পিউটারে সেইভ করুন। তবে ফাইল সাইজ যাতে ১০০ কিলো বাইট (100 KB) এর বেশি না হয়। ফাইল সাইজ বড় হলে সেটি কমপ্রেস করে কমিয়ে নিতে হবে।

জিডি কপি আপলোড

ডকুমেন্ট আপলোড হয়ে গেলে আপনার NID Card Reissue আবেদনের একটি সামারি দেখাবে। সামারিতে রিইস্যুর ধরন ও আপলোড করা ডকুমেন্টস এর তথ্য দেখাবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আবেদন সাবমিট করুন

আবেদন সাবমিট করা হলে সেটি অনুমোদনের জন্য পেন্ডিং এ চলে যাবে। দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এই আবেদন যাচাই করে অনুমোদন করে দিবেন। সাধারনত ২ দিন থেকে ৭ দিনের মাঝেই এই আবেদন এপ্রোভ হয়ে যায়।

হারানো আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন

হারানো আইডি কার্ড রিইস্যু আবেদন অনুমোদন হলে মোবাইলে ১০৫ নাম্বার থেকে মেসেজ করে জানিয়ে দেয়া হবে। মেসেজের মধ্যে লিখা থাকবে আপনার সর্বশেষ রিইস্যু আবেদন অনুমোদিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন অফিস অথবা অনলাইন সিস্টেম থেকে আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন।

জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার জন্য অ্যাকাউন্টের ড্যাশবোর্ড প্রবেশ করতে হবে। পূর্বে দেখানো নিয়ম অনুসরণ করলে এই পর্যন্ত পৌছে যাবার কথা। এখন হোম মেনুতে প্রবেশ করতে হবে। আপনি এখন আপনার ছবি ও আপনার পরিচয় পত্রের কিছু তথ্য এবং তার পাশাপাশি এই পেজের নিচের দিকে ডাউনলোড নামক বাটন দেখতে পারবেন।

NID Card Download করার জন্য ডাউনলোড বাটনে চাপুন। তারপর আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে জাতীয় পরিচয় পত্রের PDF Download হয়ে যাবে।

হারানো আইডি কার্ড পুনরায় ডাউনলোড করুন
NID Card Download

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড হয়ে গেলে এটি প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিলে অরজিনাল জাতীয় পরিচয় পত্রে পরিনত হবে। এই অনলাইন হতে ডাউনলোড করা এনআইডি কার্ড এবং নির্বাচন কমিশন থেকে প্রদান করা NID Card এর মধ্যে কোন প্রকার পার্থক্য নেই।

NIDBD WebsiteNID Service
অনলাইন কপিডাউনলোড করুন
রিইস্যু ফিNID Fees

আইডি কার্ড রিইস্যু ফি কত?

প্রথমবার রেগুলার ডেলিভারিতে আইডি কার্ড রিইস্যু করতে ২৩০ টাকা ফি জমা দিতে হয়। আর আরজেন্ট ডেলিভারিতে রিইস্যু করতে ৩৪৫ টাকা সরকারি ফি দিতে হয়।

একাউন্টের username এবং password ভুলে গেলে করনীয় কি?

আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে, একাউন্ট রেজিস্টার করার প্রক্রিয়া অনুসরণ করে একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবেন। প্রয়োজনে নতুন ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেট করতে পারবেন।

NID Reissue হতে কত দিন লাগে?

সঠিক নিয়মে NID Reissue আবেদন করলে, সেটি অনুমোদন হতে ২ থেকে ৭ দিন সময় লাগে। তবে কাজের চাপ ও নির্বাচন চলাকালীন সময়ে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।

Similar Posts

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 Comments

  1. আসসালামু আলাইকুম ভাই আমার পাসপোর্টে মায়ের নাম চেঞ্জ করা যাবে আগে বলছিল আইডি কার্ড সংশোধন করেছি এখন আইডি কার্ডের সঠিক নাম আছে তা পাসপোর্টে কি দেয়া যাবে এবং কি আলাদা চার্জ আছে জানাবেন প্লিজ এবং আমার নামে আগে এমডি ছিল না এখন এমডি আছে