নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে | Documents For New NID Application 2026

মাত্র ১৬ বছর বয়স হলেই এখন অনলাইনে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডের (NID Card) জন্য আবেদন করা যায়! অনেকেই হয়তো ভাবেন যে, ১৮ বছর না হলে বুঝি আইডি কার্ড পাওয়া যায় না। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, অনলাইনে ‘New Voter Registration’-এর আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে, ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই আপনি হাতে পেয়ে যাবেন আপনার এনআইডি কার্ড।

তবে হ্যাঁ, আইডি কার্ড হাতে পেলেও আপনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন আপনার বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর। অর্থাৎ, আপনার বয়স ১৮ বছর হলেই কেবল আপনার নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে।

২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী অনলাইনে নতুন ভোটার হতে কী কী লাগে, আবেদন কীভাবে করতে হয় এবং কোন কোন ডকুমেন্টস বা কাগজপত্র নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হয়—তার এ টু জেড (A to Z) বিস্তারিত জানতে পারবেন আজকের এই পোস্টে। চলুন, মূল আলোচনায় যাওয়া যাক!

নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে

নতুন ভোটার হতে প্রধানত বোর্ড পরিক্ষার সার্টিফিকেট, অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ, নাগরিকত্ব সনদ ও মিতা মাতার NID Card এর ফটোকপি প্রয়োজন। ঠিকানা প্রমানের জন্য ইউটিলিটি বিল যেমন বিদ্যুৎ কিংবা গ্যাস বিলের কপি অথবা কর পরিশোধের রসিদ লাগবে।

রক্তের গ্রুপ যুক্ত করার জন্য রক্তের গ্রুপ পরিক্ষার রিপোর্ট যা কোন ক্লিনিক / হাসপাতাল হতে আনতে হবে, নিজে লিখে দিলে হবে না।

ভোটার আবেদনকারী অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। এনআইডি কার্ডের আবেদন করার জন্য ব্যক্তির বয়স সর্বনিম্ন ১৬ বছর হতে হয়।

নতুন ভোটার আবেদন করতে কি কি লাগে তা বিস্তারিত নিচে লিস্ট আকারে প্রকাশ করা হলো-

  • জন্ম নিবন্ধন সনদ
  • শিক্ষাগত যোজ্ঞতা সনদ
  • নাগরিক সনদ
  • প্রত্যয়ন প্রত্র
  • পিতা মাতার আইডি কার্ডের ফটোকপি
  • ইউটিলিটি বিলের কপি
  • ট্যাক্স / কর পরিশোধের রশিদ

এইসব ডকুমেন্টের সাথে চাইলে পাসপোর্ট নাম্বার, ড্রাইভিং লাইসেন্স সংযুক্ত করতে পারেন। যাদের বয়স বেশি হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে পূর্বে কখনো জাতীয় পরিচয় পত্রে নিবন্ধন করেননি এই মর্মে একটি অঙ্গীকারনামা আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।

নতুন ভোটার হতে যা যা লাগে
ভোটার হতে যা যা লাগে

আবেদনকারী যদি বিবাহিত হয় তাহলে আবেদনের সাথে কাবিননামা বা বৈবাহিক সনদ সংযুক্ত করতে হবে এর সাথে স্বামী অথবা স্ত্রীর আইডি কার্ডের ফটোকপি (যদি থাকে) জমা দিতে হবে।

নতুন ভোটার আবেদন করার শর্ত

একজন নাগরিক একবল মাত্র একবার ভোটার নিবন্ধনের আবেদন করতে পারে। একাধিক বার নিবন্ধনের সুযোগ নেই। নতুন আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়-

  • বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে
  • বয়স ১৬ বছর বা তার চেয়ে বেশি হতে হবে
  • পূর্বে কখনো নিবন্ধন করেনি

একজন বাংলাদেশী নাগরিকের প্রমাণ হিসেবে প্রত্যেকেরই কিছু ডকুমেন্ট থাকে। অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ, পিতা-মাতা জাতীয়তা এবং আইডি কার্ড। স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাসরত বাড়ির অথবা জমির কর পরিষদ রশিদ।

নতুন আইডি কার্ড করতে কী কী লাগে?

নতুন এনআইডি বা ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর, সেই আবেদনপত্রের কপি এবং এর সাথে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণপত্র বা ডকুমেন্টস আপনার স্থানীয় উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হয়।

আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রের একটি তালিকা নিচে ছক (Table) আকারে দেওয়া হলো:

ডকুমেন্টের নামবিবরণ বা কার জন্য প্রযোজ্য
জন্ম নিবন্ধন সনদ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (সবার জন্য বাধ্যতামূলক)।
নাগরিক সনদইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন থেকে নেওয়া চেয়ারম্যান/কাউন্সিলর সার্টিফিকেট।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদএসএসসি (SSC), জেএসসি (JSC) বা সমমানের পাসের সার্টিফিকেট (যাদের আছে)।
পিতা-মাতার এনআইডিবাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি।
ঠিকানার প্রমাণপত্রবর্তমান বাসস্থানের সর্বশেষ বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল বা যেকোনো ইউটিলিটি বিলের কপি।
রক্তের গ্রুপ টেস্ট রিপোর্টযেকোনো রেজিস্টার্ড ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট।
ট্যাক্স টোকেন/রশিদবাড়ি বা জমির হোল্ডিং ট্যাক্স কিংবা চৌকিদারি ট্যাক্স জমার রশিদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

বয়স বেশি হলে অঙ্গীকারনামা: উপরে উল্লেখিত ডকুমেন্টসগুলোর পাশাপাশি আপনার বয়স যদি একটু বেশি হয় (সাধারণত ২০ বা ২২ বছরের বেশি), কিন্তু আগে কখনো ভোটার না হয়ে থাকেন, তবে আপনাকে একটি ‘অঙ্গীকারনামা’ বা স্ট্যাম্প জমা দিতে হবে। এই অঙ্গীকারনামায় মূলত এই মর্মে ঘোষণা দিতে হয় যে, “আমি এর আগে দেশের কোথাও কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের জন্য নিবন্ধন করিনি বা আবেদন করিনি।”

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বিস্তারিত বিবরণ

আপনার সুবিধার্থে ছকে উল্লেখিত প্রতিটি ডকুমেন্টের বিস্তারিত ব্যবহার ও নিয়মকানুন নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো:

১. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ

নতুন আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে সর্বপ্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টটি হচ্ছে জন্ম নিবন্ধন সনদ। আবেদনপত্রের সাথে এটি বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হয়। তবে মনে রাখবেন, হাতের লেখা জন্ম নিবন্ধন সনদ এখন আর গ্রহণ করা হয় না; অবশ্যই ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকতে হবে। আপনার যদি এখনো অনলাইন জন্ম নিবন্ধন না থাকে, তবে আগে অনলাইনে আবেদন করে সেটি সংগ্রহ করে নিতে হবে।

২. শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ

যাদের বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট রয়েছে, তারা ভোটার অ্যাপ্লিকেশনের সাথে সেগুলো অবশ্যই যুক্ত করবেন। শিক্ষা সনদ হিসেবে জেএসসি (JSC), এসএসসি (SSC) বা এইচএসসি (HSC) পাসের সার্টিফিকেট জমা দেওয়া যায়। আপনি যদি ভোকেশনাল অথবা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে থাকেন, সেক্ষেত্রেও সমমানের সার্টিফিকেট প্রমাণ হিসেবে জমা দিতে পারবেন।

৩. নাগরিক সনদ

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ড শুধুমাত্র বাংলাদেশের নাগরিকদেরই দেওয়া হয়। তাই আপনি যে এদেশের একজন স্থায়ী নাগরিক, তার প্রমাণ হিসেবে একটি নাগরিক সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। আপনার অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র কিংবা ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস থেকে এই সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।

৪. প্রত্যয়ন পত্র

নাগরিক সনদের মতোই প্রত্যয়ন পত্রও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধির কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হয়। আপনি গ্রামের বাসিন্দা হলে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে এটি নিতে পারবেন। আর পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাসিন্দা হলে মেয়রের কার্যালয় বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস থেকে এই প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে হবে। (নোট: নাগরিক সনদ কিংবা প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে সরকারিভাবে কোনো ফি বা টাকা দিতে হয় না।)

৫. পিতা-মাতার ভোটার আইডি কার্ড

আবেদনকারীর তথ্য যাচাই এবং পিতা-মাতার জাতীয়তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয়। তাই নতুন ভোটার হওয়ার আবেদনের সাথে পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি বা ফটোকপি বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হবে।

৬. ট্যাক্স বা খাজনা পরিশোধের রশিদ

নতুন ভোটার হওয়ার ডকুমেন্টস-এর তালিকায় ট্যাক্স বা খাজনা পরিশোধের রশিদটিও অন্তর্ভুক্ত। জমি কিংবা বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স, চৌকিদারি ট্যাক্স অথবা পৌরকর পরিশোধের সর্বশেষ রশিদ জমা দিতে হবে। তবে এই রশিদ যে আবেদনকারীর নিজের নামেই হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। পিতা-মাতা কিংবা অভিভাবকের নামে হলেও কোনো সমস্যা নেই।

৭. ইউটিলিটি বিলের কপি

আবেদনকারী বর্তমানে যে ঠিকানায় বসবাস করছেন, তা যাচাই করার জন্য ইউটিলিটি বিলের কপি জমা দিতে হয়। আপনি যে এলাকার ভোটার হতে চাচ্ছেন, সেখানকার বর্তমান বাসস্থানের সর্বশেষ বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল কিংবা পানির বিলের কাগজ আবেদনের সাথে প্রমাণ হিসেবে যুক্ত করতে হবে।

৮. রক্তের গ্রুপ টেস্টের রিপোর্ট

রক্তের গ্রুপ টেস্টের রিপোর্ট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক না হলেও, আমার পরামর্শ থাকবে এটি অবশ্যই জমা দেওয়ার। কারণ, আবেদনের সময় ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট জমা দিলে আপনার আসল স্মার্ট কার্ড বা আইডি কার্ডের পেছনে রক্তের গ্রুপটি সুন্দরভাবে উল্লেখ থাকবে, যা জরুরি মুহূর্তে অনেক কাজে লাগতে পারে।

বিবাহিতদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ডকুমেন্টস: উপরে উল্লেখিত ডকুমেন্টসগুলো দিয়ে যে কেউ নতুন ভোটারের আবেদন করতে পারবেন। তবে আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন এবং আইডি কার্ডে স্বামী বা স্ত্রীর নাম যুক্ত করতে চান, তবে আবেদনের সাথে ‘কাবিননামা’ বা বৈবাহিক সনদ যুক্ত করতে হবে। এর পাশাপাশি স্বামী কিংবা স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও প্রমাণ হিসেবে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট হিসেবে জমা দিতে হবে।

অঙ্গীকারনামা বা স্ট্যাম্প (কাদের জন্য প্রযোজ্য?)

নতুন এনআইডি কার্ডের (NID Card) জন্য আবেদন করতে সবার কিন্তু অঙ্গীকারনামা লাগে না। যাদের বয়স অনেক আগেই ১৮ পার হয়েছে (সাধারণত ২০-২২ বছরের বেশি), কিন্তু কোনো কারণে আগে কখনো ভোটার হওয়ার বা জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করেননি, মূলত তাদের জন্যই এই অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন এবং সম্প্রতি দেশে ফিরে নতুন আইডি কার্ড করতে চাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি প্রযোজ্য। এছাড়া অন্য যেকোনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যার কারণে আগে উপযুক্ত বয়স হওয়ার পরও যারা ভোটার হননি, এখন নতুন করে নিবন্ধন করার সময় উপজেলা নির্বাচন অফিসে অন্যান্য কাগজের সাথে তাদের একটি হলফনামা বা অঙ্গীকারনামা (স্ট্যাম্পে) জমা দিতে হবে।

এই অঙ্গীকারনামায় মূলত এই মর্মে সুস্পষ্ট ঘোষণা দিতে হয় যে— “আমি পূর্বে দেশের কোথাও কখনো জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের জন্য নিবন্ধন বা আবেদন করিনি। যদি আমার এই তথ্যটি মিথ্যা প্রমাণিত হয় বা আমি দ্বৈত ভোটার (Double Voter) হিসেবে ধরা পড়ি, তবে নির্বাচন কমিশন আমার বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তাতে আমার কোনো আপত্তি থাকবে না।”

নতুন ভোটার হওয়া নিয়ে সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

আইডি কার্ড করতে কি কি লাগে?

নতুন এনআইডি কার্ড করতে বা ভোটার হতে মূলত ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ, নাগরিক বা চেয়ারম্যান সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (যদি থাকে), পিতা-মাতার ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং বর্তমান ঠিকানার প্রমাণের জন্য যেকোনো ইউটিলিটি বিল (যেমন: বিদ্যুৎ বিল) ও ট্যাক্স পরিশোধের রশিদ প্রয়োজন হয়।

১৮ বছর হওয়ার পূর্বে NID Card করা যাবে?

হ্যাঁ, অবশ্যই যাবে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী আপনার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হলেই আপনি অনলাইনে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার পর সবকিছু ঠিক থাকলে সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যেই আপনি NID Card পেয়ে যাবেন। তবে, আপনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন আপনার বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর।

স্কুল সার্টিফিকেট ছাড়া ভোটার হয়া যায়?

হ্যাঁ, স্কুল সার্টিফিকেট ছাড়াও ভোটার হওয়া যায়। যাদের জেএসসি (JSC) বা তার ওপরের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই বা যারা পড়াশোনা করেননি, তাদের ক্ষেত্রে স্কুল সার্টিফিকেট লাগে না। তবে আপনার যদি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকে এবং বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট থেকে থাকে, তবে ভোটার হওয়ার সময় সেটি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন কীভাবে করব?

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সার্ভিস পোর্টাল (services.nidw.gov.bd) ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘নতুন নিবন্ধনের জন্য আবেদন’ (Claim Voter) অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর আপনার ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করে এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপলোড করে খুব সহজেই নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন সাবমিট করা যায়।

নতুন আইডি কার্ড হাতে পেতে কত দিন সময় লাগে?

অনলাইনে সঠিকভাবে আবেদন করার পর আপনাকে স্থানীয় নির্বাচন অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক (ছবি, চোখের আইরিশ ও আঙুলের ছাপ) দিতে হবে। বায়োমেট্রিক দেওয়ার পর সবকিছু ঠিক থাকলে সাধারণত ৩০ থেকে ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে আপনার আবেদনটি অনুমোদন হয়ে যায়। মোবাইলে মেসেজ আসার পর অনলাইন থেকে কার্ডটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।

পিতা-মাতার আইডি কার্ড না থাকলে কি নতুন ভোটার হওয়া যাবে?

আপনার পিতা-মাতা যদি মৃত হন, তবে তাদের এনআইডি কার্ড না থাকলেও আপনি ভোটার হতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রমাণ হিসেবে তাদের মৃত্যু সনদ (Death Certificate) জমা দিতে হবে। এছাড়া আপনার আপন ভাই-বোনের আইডি কার্ডের কপি এবং চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলরের কাছ থেকে ওয়ারিশ সনদ জমা দিয়েও আবেদন করা যায়।

রক্তের গ্রুপ টেস্টের রিপোর্ট দেওয়া কি বাধ্যতামূলক?

না, রক্তের গ্রুপের রিপোর্ট জমা দেওয়া একদম বাধ্যতামূলক নয়। তবে আমরা সবসময় পরামর্শ দিই রক্তের গ্রুপের রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য। কারণ, এটি দিলে আপনার আইডি কার্ডে রক্তের গ্রুপটি উল্লেখ থাকবে, যা জরুরি চিকিৎসায়, রক্তদানে বা যেকোনো দুর্ঘটনায় আপনার অনেক উপকারে আসতে পারে।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

74 Comments

  1. আইডি কার্ড আবেদন করেছি অনেক দিন হলো, ভোটার স্লিপ হারিয়ে গেছে, আমি প্রবাসী, ৫-৬ বছর হলো কাতার আছি৷ আমি কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড পাবো

    1. মায়ের আইডি কার্ড আছে পিতার আইডির পরিবর্তে জন্ম সনদ অনলাইন কপি দিয়ে করা যাবে না

  2. নিরক্ষর লোকেরা কেমনে সনদ জমা দিবে

    1. ওখানেতো বলাই আছে যে শিক্ষিত হলে শিক্ষা সনদ জৃা দিতে হবে।।।

      1. আমি প্রয়োজনের কাগজপত্র সব নিয়ে গেছিলাম নির্বাচন অফিসে তবুও অফিসার আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত একটা জিনিস চেয়েছিল সেটা হচ্ছে আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন চাইছিল এটা লাগবে কেন এটা কি জন্য লাগবে আমি এটা জানতে চাই

  3. ধন্যবাদ ভাইয়া। এই পোস্টটি আমার অনেক উপকারে এসেছে। তবে আমার কিছু প্রশ্ন ছিলো সেগুলোর উত্তর দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো। যেই কাগজপত্রাদির কথা উল্লেখ আছে সব কাগজ পত্রের ফটোকপি লাগবে নাকি মূল কপি লাগবে। আর নাগরিক সনদ এবং প্রত্যয়ন পত্রের ফটো কপি জমা দেয়া যাবে কিনা?

  4. আসসালামু আলাইকুম স্যার আমি কওমি মাদ্রাসায় পরিক্ষা দেওয়ার জন্য এখন আমার এনআইডি কার্ড বেশি জরুরি তো এখন তো আমার বয়স ২৯,০১,২০০৭ এনআইডি কার্ড আবেদন হচ্ছে না যে এখন কি ভাবে করব সাহায্য করলে ভালো হতো

    1. ভাই এখেনে ছোট একটি লজিকের কথা বলি, যদি আপনি বয়সের জন্য আইডি কার্ড করতে না পারেন তাহলে আপনার ক্লাসের সবার একই অবস্থা হবার কথা। কারণ ক্লাসমেট সমবয়সী হয়। এ ক্ষেত্রে মাদ্রাসা চাইলেও কেউ বয়স হবার আগে আইডি কার্ড করতে পারবে না। আর মাদ্রাসা এমনটা করার কথাও না।

  5. আসসালামু আলাইকুম ভাই ভালো আছেন, আমি প্রবাসী, আমি প্রায় সাত বছর বিদেশ ছিলাম, এখন দেশে আসছি, আমার আইডি কাড হয়নি, আমার জন্ম নিবন্ধন, অনলাইন নাই, হাতের লেখা, আমি বিদেশে থাকার কারনে অনলাইন করতে পারিনাই, এখন ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে যোগাযোগ করলাম, অনলাইনের জন্য, ওনারা বলতেছে এখন আর অনলাইন হবেনা, আপনার আইডি কার্ড আছে,,আমি বললাম যে-নাই, আমি নতুন করে বিদেশ যেতে পারছিনা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য, এখন আমি কি আইডিকাড করতে পারবো পাসপোর্ট দিয়ে, পাসপোর্ট এর মেয়াদ আছে প্রায় ২৬ সাল, এখন কি করা যেতে পারে প্লিজ হেল্প করবেন

    1. Sir ami md asif ami Narayanganj Theke bolchi.. Ami ekhono votar hoyni.amar gramer barir jormo nibondhon ache. Ei jormo nibondhon diya ki Narayanganje votar hote parbo.. Ekto janaben plz

    1. NID correction korle kagojpotrro- Ssc certificate er Name vul , Birth of date vul ei gula promanpotrro hisabe Nid correction korte somvob ?

      1. ভুল তথ্য সম্বলিত কাগজ পত্র দিয়ে আইডি কার্ড সংশোধন হবে না।

    2. ২১-৪৫ দিন। তবে নির্বাচন চলাকালীন আরো সময় বেশি লাগতে পারে।

      1. vaiya amar sartifikete ache yusuf hasan but jonmo nibondon o id card e ache mamun ekhon ami ki yusuf hasan mamun ad korte parbo

  6. ধন্যবাদ । পোষ্টটি অনেক উপকারী । আমি অনেক কিছু জানতে পেরেছি এই আর্টিকেল থেকে

  7. আমার বাবার nid আছে, কিন্তু আমার মার nid নিই। এখন আমি কিভাবে nid application করব।

    1. যদি ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে ফেলে তাহলে সেটি রিইস্যু আবেদন করে পুনরায় পেতে পারবে। আর যদি আগে আইডি কার্ডই না করে থাকে তাহলে অনলাইনে নতুন ভোটার নিবন্ধন আবেদন করতে হবে। অথবা উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়েও আবেদন করতে পারবেন।

  8. আমার এন আইডি নাম ঠিক আছে কিন্তু টাইটেল ভুল। জন্ম নিবন্ধন দিয়ে কি শংসোধন করা যাবে?

    1. হ্যা করা যাবে তবে আবেদনের সাথে আরো কিছু ডকুমেন্টস আপলোড করলে ভালো হবে।

      1. আপনি কি একটু বলবেন দয়া করে জন্ম নিবন্ধন দিয়ে টিন সার্টিফিকেট করা যায় কিনা

          1. আসসালামুয়ালাইকুম, কেমন আছেন,ভাইয়া, আমার জন্ম নিবন্ধন আছে, কিন্তু অনলাইনে ,,বাংলা ভাষায় পুরো নাম আছে, ইংরেজি ভাষায় পুরো নাম টা নেই, এখন কিভাবে অনলাইন করবো, জানতে চাই আপনার কাছে,প্লিস

  9. আমার ভোটার আইডি কার্ড খুব প্রয়োজন , অনুগ্রহ করে সাহায্য করবেন?

  10. আমার আম্মুর NID কার্ড আছে। কিন্তু আব্বু অনেক দিন যাবত বিদেশে থাকার কারণে তার NID কার্ড হয় নাই। এখন কি আমি NID কার্ড এর জন্য আবেদন করতে পারবো??

  11. আমি ২ বছর ধরে জমা দিছি কোনো কাজ করে না তারা

  12. আমার জন্ম ৩ আগস্ট ২০০৬। আমি আমার উপজেলায় সব কাগজ নিয়ে যাই,তখন তারা বলেন যে আমার আরো ৪ মাস পরে আসতে হবে এখন তারা জমা নিবে নাহ কারণ তাদের সার্ভারে নাকি ১/১/২০০৬ এ যাদের জন্ম তাদের গুলি জমা নেয় ।কিন্তু আমার একজন চিনা লোক ৫/৩/২০০৬ এ জন্ম তারটা জমা হয়েছে। আমার আর্জেন্ট দরকার এখন কী করতে পারি?

  13. শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও আবেদন করতে পারবো কি

  14. আমার বয়স সতেরো তাও আবেদন করতে পারছি না

    1. ভাইয়া আমর স্বামীর পিতা মারা যায় ১৯৬৯ সালে, মাতা মারা যায় ২০০৪ সালে। এখন ওর নামের শেষের দিকে ইংরেজি বানানে ভুল আছে, একই রকম ভুল সার্টিফিকেটেও। আমি কিভাবে সংশোধন করব?

  15. যাদের সার্টিফিকেটে বাবা মার নামে অক্ষর ভুল আছে
    তাদের কি সার্টিফিকেট দিলে কোনো সমস্যা হবে?

    1. আপনার সার্টিফিকেটের সাথে পিতা মাতার আইডি কার্ডের নামের মিল না থাকলে প্রথমে যেটি ভুল সেটি সংশোধন করুন।

  16. আমার সার্টিফিকেটে আমার বাবার নাম ভুল।এগুলো ঠিক করতে অনেক সময় লাগবে।এখন আমি কিভাবে NID কার্ড বানাবো

  17. আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকে শুরু করে সব দেওয়ার পর আমার আইডিতে আজকে মেসেজ আসছে মানে আমার নাম্বারে যে ইসি অফিস থেকে অনুরোধ করা হলো আপনি আপনার বায়োমেট্রিক গুলো ও বাকি তথ্য দিয়ে আসেন। এখন কি বুঝব তার মানে আমার এপ্লাই কি হয় নাই গ্রহণযোগ্য

  18. Hmm it seems like your site ate my first comment (it was super long) so I guess I’ll just sum it up what I submitted and say, I’m thoroughly enjoying your blog. I as well am an aspiring blog writer but I’m still new to everything. Do you have any points for first-time blog writers? I’d really appreciate it.

  19. আমার জাতীয় পরিচয় পত্র স্মার্ট কার্ড কিভাবে দেখব

  20. আসসালামুআলাইকুম ,
    অঙ্গীকারনামা দিতে হলে কি চেয়্যারম্যান বা মেম্বারের স্বাক্ষর দিতে হবে?