অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করুন

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনলাইনে তথ্য পরিবর্তনের জন্য আবেদন করে খুব সহজে জন্ম নিবন্ধনের ভুল তথ্য সংশোধন করা যায়। চলুন দেখি অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম।

অনেক সময় আমাদের জন্ম নিবন্ধন সনদে ভুল লিপিবদ্ধ হওয়া অথবা ভুল তথ্য থাকার কারণে এটির সংশোধন করার প্রয়োজন হয়। বর্তমান সময়ে ঘরে বসেই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা সম্ভব হচ্ছে। আজকে আমরা জানতে চলেছি অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন কারেকশন করার সঠিক নিয়ম এবং সহজ উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

জন্ম নিবন্ধন সনদ একজন ব্যক্তির দেশের নাগরিকত্বের প্রথম প্রমাণপত্র। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত অর্থাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈধ নাগরিক হিসেবে জন্ম নিবন্ধন সনদ ব্যক্তির একমাত্র ভরসা। আর এই জন্ম নিবন্ধন সনদ এর উপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে জাতীয় পরিচয় পত্র এবং স্কুল জীবনের সকল সার্টিফিকেট তৈরি হয়ে থাকে।

কারো জন্ম নিবন্ধনে ভুল থাকলে তার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র যেমন জাতীয় পরিচয় পত্র,পাসপোর্ট এবং শিক্ষা সার্টিফিকেট এসব ক্ষেত্রে ভুল হতে থাকবে। জন্ম নিবন্ধন সনদে কোন প্রকার ভুল থাকলে তা আগে থেকেই সংশোধন করে নেওয়া উচিত। বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধন করার উপায় থাকায়, যে কেউ ঘরে বসেই জন্ম নিবন্ধন কারেকশন করতে পারবে।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার নিয়ম

জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে সংশোধন করার জন্য জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ওয়েব সাইট bdris.gov.bd ভিজিট করতে হবে। আপনার ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়ে তথ্য যাচাই করে জন্ম তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন সনদে একবার ভুল হয়ে গেলে সেটি যদি সংশোধন করা না হয় তাহলে পরবর্তী সময়ে জাতীয় পরিচয় পত্র থেকে শুরু করে জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে এই ভুল তথ্য বয়ে বেড়াতে হবে। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য কিভাবে পরিবর্তন করতে হয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার পদ্ধতি কয়েকটি ধাপে বিন্যস্ত করা হয়েছে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে যে কেউ ঘরে বসে স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটারের ব্যাবহার করে খুব সহজে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে পারবে অনলাইনের মাধ্যমে।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কি কি লাগে

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে NID Card, বোর্ড পরীক্ষার সনদ ও চেয়ারম্যান অথবা কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র লাগে। যাদের জাতীয় পরিচয় পত্র হয়নি তারা এটির পরিবর্তে হাসপাতালের সনদ ব্যবহার করতে পারবে। জন্ম নিবন্ধনের ঠিকানা সংশোধন করার জন্য জমির খাজনা অথবা বাড়ির ট্যাক্স পরিশোধের রসিদ সাথে ইউটিলিটি বিলের কপি প্রয়োজন হবে।

জন্ম নিবন্ধনের জন্ম তারিখ সংশোধন বা পরিবর্তন করার জন্য শিশু হলে টিকা কার্ডের কপি, স্কুল পড়ুয়া হলে বোর্ড পরীক্ষার সনদ অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র প্রয়োজন হবে। তাই আমাদের উচিত জন্মনিবন্ধন আবেদন করার সময় সব কিছু সঠিক ভাবে চেক করে নেওয়া।

জন্ম নিবন্ধনের ভুল তথ্য সংশোধন করার জন্য যে সব কাগজপত্র প্রয়োজন তার একটি তালিকা টেবিল আকারে প্রকাশ করা হলো। কি ধরনের তথ্য পরিবর্তন করতে চান সংশোধনের ধরনের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেসের ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

সংশোধনের বিষয়প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
নিজের নাম সংশোধন১. টিকা কার্ডের কপি (বয়স কম হলে)
২. জাতীয় পরিচয় পত্র
৩. শিক্ষাগত যোজ্ঞতা সনদ
পিতা মাতার নাম সংশোধন১. পিতা মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন
২. পিতা মাতার NID Card
৩. নিজের শিক্ষা সনদ
বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তনবিদ্যুৎ অথবা ইউটিলিটি বিলের কপি
স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন১. চেয়ারম্যান অথবা কাউন্সিলরের প্রত্যয়ন পত্র
২. স্থায়ী ঠিকানার খাজনা / কর পরিশোধের রশিদ
জন্ম নিবন্ধন সংশোধেনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার ধাপ সমূহ

জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে সংশোধন করার বিষয়টি কয়েকটি ধাপে বিভক্ত করা হয়েছে

  • জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন- অয়েবসাইট লিঙ্ক https://bdris.gov.bd/
  • জন্ম নিবন্ধন মেনু থেকে জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন অপশনে যান
  • জন্ম নিবন্ধন তথ্য যাচাই করুন
  • প্রয়োজনীয় সংশোধনী সম্পন্ন করুন
  • কাগজপত্র সাবমিট করুন
  • আবেদনপত্র প্রিন্ট অথবা সেইভ করে রাখুন
  • নিবন্ধক কার্যালয় থেকে সংশোধিত সনদ সংগ্রহ করুন

জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য সংশোধন আবেদন অনুমোদন হলে সংশোধিত সনদ ইউনিয়ন পরিষদ অথবা পৌরসভা অফিস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। পানি চাইলে অনলাইন থেকে জন্ম নিবন্ধন ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার ভিডিও দেখুন

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন প্রক্রিয়া আরো সহজ করার জন্য নিচে একটি টিউটরিয়াল ভিডিও দেয়া হয়েছে। ভিডিওটি অনুসরণ করেও আবেদন করতে পারবেন-

#১ জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধন ওয়েবসাইটের https://bdris.gov.bd/br/correction এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন। জন্ম নিবন্ধন মেনু থেকে জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন লিঙ্কে ক্লিক করুন। তারপর আপনাকে জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন পেজে নিয়ে যাবে।

#২ জন্ম নিবন্ধন তথ্য যাচাই

জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন সাইটে প্রবেশের পর আপনার সামনে উপরে দেখানো ছবির মত একটি পেজ চলে আসবে। লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন এখানে দুটি ইনপুট ফিল্ড রয়েছে যেখানে প্রথমটি তে জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং দ্বিতীয় ঘরে জন্ম তারিখ দিতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন ইনপুট ফিল্ডে ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার এবং জন্ম তারিখের ঘরে তারিখ দিতে হবে। সঠিক তথ্য পূরণ করার পর অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করতে হবে। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে হলে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধনটি অনলাইন করার থাকতে হবে।

প্রদত্ত তথ্য সঠিক হলে অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে ব্যক্তির কিছু ইনফরমেশন দেখানো হবে। জন্ম নিবন্ধনের ব্যক্তির নাম ও পিতা মাতার নাম দেখে নিশ্চিত হয়ে নিন।

#৩ সংশোধনের বিষয় নির্বাচন করুন

সংশোধনের বিষয় নির্বাচন করার জন্য পাশেই ড্রপ-ডাউন মেনু পেয়ে যাবেন। মেনুটে থাকা অপশনে জন্ম নিবন্ধনের প্রায় সব তথ্য বাছাই করার অনশন রয়েছে। আপনার যে সকল তথে ভুল রয়েছে সেটি সিলেক্ট করুন।

একাধিক তথ্য পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হলে আরো তথ্য সংযোজন করুন বাটনে চাপুন। তা হলে আরো তথ্য সংশোধনের জন্য নতুন একটি অপশন যুক্ত হবে। সংশোধনের বিষয় হিসেবে আপনার নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ অর্থাৎ একটি সনদে যে সকল তথ্য থাক সব কিছুই দেখতে পাবেন।

#৪ চাহিত সঠিক তথ্য লিখুন

সংশোধনের বিষয় অনুসারে আপনার চাহিত সঠিক তথ্য লিখুন। সঠিক তথ্য লিখার জন্য ইনপুট ফিল্ড পেয়ে যাবেন। কোন তথ্য বানাঙ্গত ভুল হলে সঠিক বানান লিখুন। জন্ম তারিখ ভুল লিপিবদ্ধ হলে শিক্ষা সনদ বা জাতীয় পরিচয় পত্র অনুসারে লিখুন।

জন্ম স্থানের ঠিকানা বা স্থায়ী ঠিকানা তথ্য পরিবর্তন করতে হলে পাশে টিক চিহ্ন দেয়ার বক্সে টিক দিয়ে সঠিক ঠিকানা লিখুন। ঠিকানা নিরবাচনের জন্য আপনাকে পর্যায়ক্রমে দেশ, বিভাগ, জেলা, উপজেলা, গ্রাম এভাবে করে সম্পূর্ণ ঠিকানা দিতে হবে।

#৫ সংশোধনের কারণ বাছাই করুন

আপনি কি কারণে আপনার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন তার কারণ বাছাই করতে হবে। অনেক সময় নামের বানানে ভুল থাকে অথবা নামটাই ভুল লিপিবদ্ধ হয়।

আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রে বা শিক্ষা সনদের সাথে তথ্যের মিল নেই। আপনার নিবন্ধন সনদে কি ধরনের তার সাথে মিলে এমন কারণ বাছাই করুন। কোন সামঞ্জস্য খুজে না পেলে নতুন তথ্য সংযোজন কারণ হিসেবে বাছাই করে দিবেন।

#৫ আবেদনকারীর তথ্য প্রদান

আপনি যদি আপনার নিজের জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য সংশোধন আবেদন করেন তাহলে আবেদনাধীন ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক নিজ চয়েস করে দিবেন। আর যদি আপনার সন্তানের জন্য আবেদন করেন তাহলে পিতা/মাতা সিলেক্ট করবেন।

তারপর আবেদকারীর নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার প্রদান করতে হবে। আর নিজের আবেদন নিজে করলে এই ফিল্ড নিজে নিজে আপনার তথ্য অনুসারে পূরণ হয়ে থাকবে।

#৬ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন

আপনি যে সকল তথ্য সংশোধন করার জন্য আবেদন করতে যাচ্ছেন তার পক্ষে প্রমান হিসেবে কিছু কাগজপত্র স্কেন করে আপলোড করতে হবে। আপনার চাহিত তথ্যের সাথে মিল আছে এমন ডকুমেন্টস আপলোড করুন।

সংযোজন বাটনে ক্লিক করে একাধিক ফাইল বা ছবি আপলোড করা যাবে। মনে রাখবেন আপনার চাহিত তথ্য সঠিক প্রমান করে এমন যত বেশি ডকুমেন্ট আপলোড করবেন ততবেশি সংশোধন হবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। প্রনাম হিসেবে পরিক্ষার সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট এসব আপলোড করা যেতে পারে।

লক্ষ রাখবেন আপনি যে ডকুমেন্ট বা ফাইল আপলোড করবেন তার সাইজ যাতে 100KB এর বেশি না হয়। পেমেন্ট হিসেবে ফি আদায় বাচাই করে আবেদন সাবমিট করুন।

আবেদন পত্র প্রিন্ট করুন

আবেদন সাবমিট হয়ে গেলে এখন আপনি আবেদন পত্রের নাম্বার দেখতে পাবেন। আবেদন পত্রের নাম্বার সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। আবেদনপত্র প্রিন্ট বাটনে চেপে আবেদন পত্র প্রিন্ট করুন। প্রিন্টার না থাকলে Save as PDF করে ডাউলোড করুন।সাইটে প্রদর্শিত তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা নিবন্ধক অফিসে জমা দিন।

জন্ম নিবন্ধনে ইংরেজি করার নিয়ম

আগের জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি ভার্শন ছিলোনা। যাদের জন্ম নিবন্ধন শুধু মাত্র বাংলা অক্ষরে রয়েছে, তারা সংশোধন আবেদনে ইংরেজি তথ্য যুক্ত করতে পারবে।

জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি করা সংশোধনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। যে কোন ধরণের তথ্যের পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজনকে সংশোধন হিসেবে গণ করা হয়, তাই অনলাইনে একটি তথ্য সংশোধনের আবেদন করে এ কাজটি করে নিতে পারেন।

জন্ম নিবন্ধন নাম সংশোধন করার নিয়ম

জন্ম নিবন্ধনে নাম সংশোধনের জন্য উপরে দেখানো নিয়ম আনুসারে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রমাণ সাবমিট করলেই ১৫ কার্যদিবসের মধ্যেই আবেদন অনুমোদন হয়ে যায়।

জন্ম নিবন্ধনে নিজের নাম সংশোধন করার জন্য বয়স ও ক্ষেত্রেভেদে ভিন্ন ভিন্ন ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয়। নাম সংশোধনের জন্য, টিকার কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা টিআইএন সার্টিফিকেট প্রমাণপত্র হিসেবে সাবমিট করার প্রয়োজন হয়।

Similar Posts

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

39 Comments

    1. আপনার মতামতের সাথে আমি নিজেও অনেকাংশে সহমত। ইউনিয়ন পরিসদের সচিব / করমচারি কেমন তার উপর সেবার মান নির্ভর করে।

    2. আমার বয়স ২১বছর চলছে। কিন্তু আমি এখনো ভোটার হতে পারিনি।কারন আমার জন্ম সনদ ডিজিটাল করা হয়নি।আমার জন্ম সনদ খুলনা জেলায় করা।আর আমার বর্তমান অবস্থান নওগাঁ জেলায়। খুলনাতে আমার কোনো আত্মীয় নেই।তাই কারো মাধ্যমে জন্ম সনদ ডিজিটাল করতে পারছি না।এখন আমি কিভাবে আমার সমস্যা সমাধান করব….?

    1. আইডি কার্ড করার সময় জন্ম নিবন্ধন জমা দিলে আপনার NID প্রোফাইলে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য থাকার সম্ভাবনা আছে।

  1. “নির্বাচনকৃত ঠিকানা সমুহের যে কোন একটি ঠিকানা নিবন্ধন কার্যালয়ের ঠিকানা হতে হবে।” নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে ওটিপি না এসে এই এরর শো করে। could you please help how to fix it. Thanks

  2. আমার সার্টিফিকেট গুলোতে আমার বাবার নাম এর বানান এ আক্ষরিক ভুল আছে। সেজন্য আমার আবেদন করতে হবে। ২০১১ সালে আমার জন্মনিবন্ধন সংশোধন করে নাইফা থেকে নাফিয়া করা হয়। তখন প্রিন্ট এ ভুল আসে। আমি ভেবেছিলাম আবার ঠিক করতে হবে। কিন্তু অনলাইন এ চেক করে দেখলাম ঠিক আছে নাফিয়া দেওয়া। তবে ইংরেজি করা না। আমার এখন ইংরেজি করতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো আমি সার্টিফিকেট এর স্ক্যান কপি যে দিব। সেখানে আমার বানার নাম এর বানান Mohammed দেওয়া। আমি আমার বাবার এনআইডি র মতো নাম দিতে সব কারেকশন করা লাগবে। এখন জন্ম নিবন্ধন এর সংশোধন এ সার্টিফিকেট দিলে তারা কি সার্টিফিকেট এর ভুল বানান টা ই ধরবে নাকি আমি সংশোধন এ বাবার নাম এর বানান যা দিব তা ধরবে?

    1. আপনি ইউনিয়ন অফিসে গিয়ে বিস্তারিত বলে আবেদন করুন। নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করলে সব ডকুমেন্টস সঠিক সাবমিট করা লাগে।

  3. আমার wife এর জাতীয় পরিচয় পত্রে যে জন্ম নিবন্ধনের নাম্বার আছে সেটা অনলাইন করা নাই। কিন্তু অন্য একটা নাম্বার অনলাইনে দেখা যায়। যেটা অনলাইনে দেখা যায়, সেটা সম্পূর্ণ ভুল তথ্য অনুযায়ী বানানো। এখন আমার কি করা উচিৎ? কি ভাবে ভোটার আইডি কার্ডে যে নাম্বার আছে সেটা অনলাইন করা যায়? এখন নতুন জন্মনিবন্ধন বানাবো নাকি?