নতুন নিয়মে পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন করুন
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে অবস্থাণরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা পোস্টাল ভোটের ব্যালটের মাধ্যমে তাদের মূল্যবান ভোট দিতে পারবে। বিদেশ থেকে ভোট দিতে হলে প্রবাসীদের 25 ডিসেম্বর 2025 তারিখের মধ্যে “পোস্টাল ভোট বিডি” অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে।
পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ভোটারদের একটি সচল বিদেশি (যে দেশে অবস্থান করছে) প্রয়োজন হবে। ব্যক্তির এনআইডি কার্ড ও পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে।
পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম
আপনি যদি একজন প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক হন এবং পোস্টাল ভেলটের মাধ্যমে আপনার ভোট দিতে চান তাহলে প্রথমে পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করুন। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য প্রথমে play store অথবা App Store থেকে Postal Vote BD অ্যাপ ইন্সটল করুন। অ্যাপেটি ওপেন করার পর আপনি কোন দেশে আছেন সেটি সিলেক্ট করুন। এখন আপনার বিদেশি মোবাই নাম্বারটি ইনপুট করে সাবমিট করলে মোবাইলে একটি OTP আসবে, সে কোডটি ইনপুট করে নিশ্চিত করুন।
সঠিক OTP দিয়ে মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করার পর আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড সেট করে পোস্টাল ভোট অ্যাপের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হব। এতো গেলে অ্যাপে লগইন করার প্রক্রিয়া আসল কাজ এখনো বাকি, পোস্টাল ভেলটে মাধ্যমে ভোট দিতে হলে আপনাকে পোস্টাল ভোটের তালিকা ভুক্ত হতে হবে।
পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন করার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট থাকতে হবে। নিচের দেখানো ধাপ গুলো আনুসরণ করে সহজেই পোস্টাল ভোটের তালিকাভুক্ত হতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয় পত্রের ছবি তুলুন
নিবন্ধনের শুরুতে আপনার NID Card বা জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি তুলতে হবে। পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে মোবাইল নাম্বার পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পর আপনার আইডি কার্ডের ছবি তুলার অপশন আসবে। এখন এই অ্যাপের মাধ্যমে আইডি কার্ডের একটি স্পষ্ট ছবি তুলুন।
সজীবতা যাচাই
এই ধাপে আপনার সজীবতা অর্থাৎ Liveness পরীক্ষা করা হবে। এর জন্য অ্যাপের ক্যমেরা চালু হবে এবং আপনার মুখ মণ্ডল স্ক্যান করা হবে। এই ধাপে আপনাকে ডানে, বামে তাকানো এবং চোখের পলক ফেলা কিংবা হাসি দিতে হতে পারে।
এই সজীবতা যাচাই করার সময় আপনাকে কিছু বিষয় লক্ষ রাখতে হবে, ১। চোখে চশমা পড়া যাবে না, ২। মাথায় হেমেট রাখা যাবে না, ৩। মাস্ক পরা যাবে না, ৪। মাথায় ক্যাপ রাখা যাবে না। পর্যাপ্ত আলো আছে এমন স্থানে অবস্থান করে এই কাজটি করতে হবে।
পাসপোর্টের তথ্য প্রদান
পাসপোর্টের তথ্যের সাথে মিল রেখে Surname এবং Given name ফিলাপ করুন। তারপর পাসপোর্ট নং ঘরে আপনার পাসপোর্ট নাম্বার লেখুন। সবশেষ ঘরে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হবার তারিখ লিখুন। এই তথ্য গুলো পাসপোর্ট থেকে দেখে দেখে সঠিক ভাবে পূরণ করুণ।
ব্যলট প্রাপ্তির ঠিকানা
পোস্টাল ভোটের সিস্টেম হলো এমন যে প্রথমে বাংলাদেশ থেকে আপনি যেথানে থাকেন সেশানে আপনার জন্য ব্যলট পাঠানো হবে, তারপর আপনি সময় মতো ভোট দিতে সেটি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে দেশে পাঠিয়ে দিবেন।
এখন আপনি যে ঠিকানায় এই ব্যলট পেতে চান সে ঠিকানা সঠিক ভাবে দিতে হবে। আপনি যে দেশের সে থানে থাকেন সে স্থানের ঠিকানা সঠিক ভাবে প্রদান করুন। মনে রাখবে এই প্রদত্ত ঠিকানায় আপনার ব্যলট পাঠানো হবে।
এভাবে আপনি পোস্টাল ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। নিবাচন অনুষ্ঠিত হলে আপনাকে পষ্ট অফিসের মাধ্যমে ব্যলট পাঠানো হবে, তারপর আপনার পছন্দের প্রার্থিকে ভোট দিয়ে সেটি ফিরতি খামে ভরে দেশে পাঠিয়ে দিন।
প্রবাসীরা কোন নির্বাচনের জন্য পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন?
প্রবাসীরা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করতে পারবেন।
বিদেশ থেকে পোস্টাল ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধনের শেষ সময়সীমা কবে?
বিদেশ থেকে ভোট দিতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের আগামী ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
অ্যাপে নিবন্ধনের জন্য কী কী তথ্য ও নথিপত্র প্রয়োজন?
নিবন্ধনের জন্য আপনার বর্তমান অবস্থানরত দেশের একটি সচল মোবাইল নাম্বার, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে।

2408356786
এটা স্টেকিং একটু চেক করেন
One of the most skilled calligraphers
আমি পোস্টাল ভোটে রেজিস্ট্রেশন করতে চাই
Kumarbiswas
This would be my initial message here and I’m pleased I came across this forum. I’ve already picked up a few useful insights just from reading existing posts, which really says a lot about the quality of the content. It’s great to see people willing to share what’s helped them and break things down in a way that’s simple to follow. I’m excited about continuing to learn. I have been learning about this over the past little while.